
বিশেষ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বিল্লাল সহ অপর আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিরসহ এলাকাবাসী।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, হবিগঞ্জের মাধবপুরের বার চান্দুরা গ্রামের প্রবাসী মোঃ সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ রুমা বেগম(৩৩) তার ৩ ছেলে মেয়ে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছিল। পাশের বাড়ির মোঃ সাঈদ মিয়ার পুত্র মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৬) মোছাঃ রুমা বেগমকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন প্রকার কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। প্রস্তাবে রাজি না হলে রুমা বেগমকে মোঃ বিল্লাল হোসেন তার ভাই মোঃ ফুল মিয়া ও বোন মোছাঃ আছমা বেগম সহযোগীতায় ধর্ষণ করে। বর্তমানে মোঃ বিল্লাল হোসেন আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে আটক রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল অনুমান ১১টার সময় ব্যুরো বাংলা অফিসে রুমা বেগম তার জমানো সঞ্চয়ের টাকা উঠানোর জন্য গেলে মাধবপুর পৌরসভার ০৩নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত পশ্চিম মাধবপুর সাকিনস্থ ব্যুরো বাংলা অফিসের সামনে পাকার রাস্তার উপর পৌছানোমাত্র বিবাদী মোঃ বিল্লাল হোসেন অপর বিবাদী মোঃ ফুল মিয়া ও মোছাঃ আছমা বেগমদ্বয়ের সহযোগীতায় জোরপূর্বক অপহরণ করে ঘটনাস্থলের পাশে হালিমা ভবনের ২য় তলায় একটি কক্ষে নিয়া যায়। একপর্যায়ে মোঃ ফুল মিয়া ও মোছাঃ আছমা বেগমদ্বয় হালিমা ভবনের ২য় তলার কক্ষ হইতে বাহিরে চলে যায়। তখন বিবাদী মোঃ বিল্লাল হোসেন রুমা বেগমকে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য প্রস্তাব দেয়। রুমা বেগম মোঃ বিল্লাল হোসেনের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিবাদী জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং উক্ত রুমে রুমা বেগমকে আটক রাখে। পরবর্তীতে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ০৮ টা ৩০ মিনিটের দিকে মোঃ বিল্লাল হোসেন বাথরুমে গেলে রুমা বেগম বাথরুমের দরজা বাহির থেকে লাগিয়ে সু-কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। আটক থাকাবস্থায় মোঃ ফুল মিয়া ও মোছাঃ আছমা বেগম বিবাদী মোঃ বিল্লাল হোসেনকে ফোন করে বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দিতে শুনেছে রুমা বেগম।
ধর্ষণের শিকার রুমা বেগম জানায়, বিবাদী মোঃ ফুল মিয়া ও মোছাঃ আছমা বেগম দ্বয়ের কু-পরামর্শে বিবাদি মোঃ বিল্লাল হোসেন রুমা বেগমকে কক্ষে আটক রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। রুমা বেগম হালিমা ভবনের ২য় তলার কক্ষ থেকে বের হয়ে একটি সিএনজি অটোরিক্স যোগে বাড়ীতে চলে আসে এবং বিষয়টি স্বাক্ষীসহ পরিবারের লোকজনদের অবগত করে।এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি মাধবপুর মামলা দায়ের করে।যার মামলা নং- ২২/৬৪। মামলা করার পর থেকে আসামীগণ তাকে প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। জনপ্রতিনিধি সহ এলাকাবাসী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী বিল্লাল হোসেন সহ সকল আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply